নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয়
বাড়িতে বসে ২০টি অনলাইনে কাজনতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয় সম্পর্কে আমরা নতুন ফ্রিল্যান্সাররা অনেকেই জানিনা। বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে অনেকেই হয়তো নতুন হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পায় না।

পোস্ট সূচিপত্রঃ নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয়
- নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয়
- কেন প্রোফাইল প্রফেশনাল ভাবে সাজাবেন
- কিভাবে গিগ টাইটেল এবং বিবরণ লিখবেন
- আপনার উপযুক্ত দক্ষতা কিভাবে নির্বাচন করবেন
- কেন প্রথম দিকে কম দামে কাজ করবেন
- কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ কিভাবে ব্যবহার করবেন
- কেন প্রফেশনাল ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করবেন
- দ্রুত রিপ্লাই কেন বেশি জরুরী
- কোথায় গিগ প্রমোশন করবেন এবং কেন
- আমাদের শেষ কথা
নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয়
নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে আমাদের বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রেখে গিগ সাজালে এবং প্রমোশন করলে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে খুব তাড়াতাড়ি গিগ অর্ডার পেতে পারি-
- নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গিগ সাজানোর সময় অবশ্যই প্রফেশনাল ভাবে সাজাতে হবে।
- নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনার প্রোফাইল এবং গিগ প্রফেশনাল ভাবে সাজানোর চেষ্টা করবেন।
- তাড়াতাড়ি গিগ অর্ডার পাওয়ার জন্য গিগ টাইটেল এবং বিবরণ খুব সুন্দর ভাবে এবং সহজ করে উপস্থাপন করবেন।
- আপনি যে বিষয়ে দক্ষ আপনি সেই বিষয়ে আপনার গিগ সাজানোর চেষ্টা করবেন এবং আপনার সেই দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার জন্য গিগ সাজাবেন।
আরো পড়ুনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায়
- অবশ্যই নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রথম দিকে খুব বেশি দামের গিগ না তৈরি করি। প্রথমদিকে কম দামের গিগ তৈরি করতে হবে এবং কম দামে কাজ করলে গিগে দ্রুত অর্ডার পেতে পারেন।
- নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয় গুলোর মধ্যে গিগ প্রমোশনের জন্য অবশ্যই সঠিক কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার করবেন। সঠিক কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার করার ফলে গিগের ইম্প্রেশন বৃদ্ধি পাবে যা আপনাকে খুব দ্রুত অর্ডার পেতে সাহায্য করবে।
- অবশ্যই গিগে প্রফেশনাল ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করবেন এটি অনেক বেশি সাহায্য করবে দ্রুত অর্ডার পেতে।
- অবশ্যই যোগাযোগ দক্ষতা এবং তাড়াতাড়ি রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে ক্লায়েন্টের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জন করবেন এবং দ্রুত রিপ্লাই দেওয়ার ফলে আপনার গিগে ভালো প্রভাব পড়বে যার ফলে গিগে দ্রুত অর্ডার পেতে পারেন।
- গিগ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করুন যার ফলে আপনার গিগ ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছাতে পারে এক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি এর মত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আপনার গিগ প্রমোশন করতে পারেন।
এই ধরনের কাজগুলো করলে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে খুব দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে পারেন।
কেন আপনার প্রোফাইল প্রফেশনাল ভাবে সাজাবেন
নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয় গুলোর মধ্যে একটি হলো প্রোফাইল প্রফেশনাল ভাবে সাজানো। নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার প্রোফাইল কে প্রফেশনাল ভাবে সাজাতে হবে। প্রোফাইল প্রফেশনাল ভাবে সাজানো থাকলে তা রুচিসম্মত হবে এবং ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইল ঘুরে আপনার সম্পর্কে অবগত হতে পারবে।
যার ফলে আপনার দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে সাহায্য করবে। নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে প্রোফাইল প্রফেশনাল ভাবে সাজানো অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রোফাইল প্রফেশনাল ভাবে সাজানোর জন্য অবশ্যই সঠিক এবং সহজ টাইটেল ব্যবহার করতে হবে এবং সঠিক কিওয়ার্ড ও সাব কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

কিভাবে গিগ টাইটেল এবং বিবরণ লিখবেন
নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে অনেকেই হয়তো বুঝেন না কিভাবে গিগ টাইটেল এবং বিবরণ লিখবেন। যার ফলে অনেকেই অর্ডার পায় না তাই এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য অবশ্যই সুন্দরভাবে কিভাবে গিগ টাইটেল এবং বিবরণ লেখার সময় খুব সুন্দর ভাবে এবং প্রফেশনাল ভাবে সেগুলোকে উপস্থাপন করতে হবে গিগের মধ্যে যেন ক্লায়েন্টে খুব সহজে তা বুঝতে পারে।
নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে করণীয় এর মধ্যে অবশ্যই টাইটেল এবং বিবরণ লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে সেটি যেন একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সারের মতো হয়ে ওঠে যা আমাদের নতুন হিসেবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই মার্কেটপ্লেসের আপনার প্রতিযোগী যারা আছে তাদের থেকে ধারণা নিতে পারেন। সঠিকভাবে টাইটেল এবং বিবরণ লেখার ফলে গিগের ইম্প্রেশন বৃদ্ধি পায় যার ফলে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুতই গিগ অর্ডার পেতে সাহায্য করে থাকে।
আপনার উপযুক্ত দক্ষতা কিভাবে নির্বাচন করবেন
নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কিভাবে আপনার দক্ষতা নির্বাচন করবেন। আপনার দক্ষতা নির্বাচন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কোন একটি দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং সেটি কাজে লাগিয়ে আপনাকে গিগ পাবলিশ করতে হবে। আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার সেই সেক্টর এর মধ্যে যে কাজগুলো আপনি খুব ভালো পারেন সে কাজগুলোর উপর কিংবা আপনার যে কাজে দক্ষতা বেশি সে কাজের উপর আপনি গিগ তৈরি করে সেটির উপর কাজ করতে পারবেন।
সেটি হতে পারে বিজনেস কার্ড ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, কিংবা লেটারহেড ডিজাইন, অথবা ক্যালেন্ডার ডিজাইন এছাড়াও আপনি যে ডিজাইনে বেশি দক্ষ সে দক্ষতা অনুযায়ী গিগ তৈরি করে আপনি গিগ পাবলিক করতে পারবেন। তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা সঠিকভাবে নির্বাচন করার পরেই আপনি গিগ পাবলিশ করবেন তাহলে আপনার অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।
কেন প্রথম দিকে কম দামে কাজ করবেন
কেন প্রথমদিকে কাজের দাম কম রাখবেন সেটি যদি বলতে যাই তাহলে বলা যায় যে বর্তমান আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে দিন দিন আমাদের প্রতিযোগিতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতার বাজারে যদি আপনি দ্রুতই গিগ অর্ডার পেতে চান তাহলে শুরুর দিকে আপনাকে অবশ্যই আপনার কাজের দাম কম রাখতে হবে। কাজের দাম কম রাখলে এবং সেটি ক্লায়েন্টের চোখে পড়লে ক্লাইন্ট আপনাকে দিয়ে কাজ করে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করবে। তাই ফ্রিল্যান্সার হিসাবে নতুন হয়ে থাকলে অবশ্যই প্রথমদিকে আপনার কাজের দাম কি কম রাখতে হবে।
এ সময় আপনি বেশ কিছু কাজ করে আপনার গিগে ক্লায়েন্টের রেটিং এবং রিভিউ সংগ্রহ করে আপনার গিগের ইম্প্রেশন এবং গিগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারবেন যা পরবর্তীতে কাজ পেতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। পরবর্তীতে আপনি আপনার গিগের আপনার কাজের দাম পরিবর্তন করে বৃদ্ধি করতে পারবেন। নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দ্রুত গিগ অর্ডার পাওয়ার জন্য এই কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ কিভাবে ব্যবহার করবেন
কীওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার করবেন কিভাবে সেটি জানতে গেলে অবশ্যই আপনাকে মার্কেটপ্লেস এ গিয়ে রিসার্চ এবং আরও অন্যান্য যে প্রতিযোগী আছে তাদের কীওয়ার্ড খেয়াল রাখতে হবে। সঠিক কীওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার করার মাধ্যমে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দ্রুতই গিগ অর্ডার পেতে পারবেন। সঠিক কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার করার ফলে আপনার গিগের ইম্প্রেশন বৃদ্ধি পাবে যা গিগকে দ্রুতই অর্ডার নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।
সঠিক কীওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার করার জন্য আপনাকে অবশ্যই মার্কেটপ্লেসে আপনার যারা প্রতিযোগী আছে তাদের গিগ পরিদর্শন করতে হবে এবং জনপ্রিয় কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ গুলো আপনার গিগে ব্যবহার করতে হবে যা আপনার গিগে দ্রুত নিয়ে আসতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। তাই সঠিক কিওয়ার্ড এবং ট্যাগ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হিসেবে কাজ করবে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে।
কেন প্রফেশনাল ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করবেন
কেন প্রফেশনাল ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করবেন তার কারণ হলো গিগে প্রফেশনাল ভিডিও বা ইমেজ যুক্ত করার ফলে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ক্লায়েন্টের কাছে আপনার কাজকে আপনি উপস্থাপন করতে পারবেন এবং আপনার করা কাজগুলো আপনার দক্ষতা ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করবে। প্রফেশনাল ইমেজ ব্যবহার বা ভিডিও যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার গিগের ইমপ্রেশন এবং ক্লিক খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পাবে এবং এতে আপনার দক্ষতা ফুটে উঠবে। এবং আপনার দক্ষতা ফুটে ওঠার কারণে যদি আপনার কাজ ক্লায়েন্টের পছন্দ হয় তাহলে খুব দ্রুত আপনি গিগে অর্ডার পেতে পারেন। দ্রুত অর্ডার পাওয়ার জন্য অবশ্যই গিগে প্রফেশনাল ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করবেন।
দ্রুত রিপ্লাই কেন বেশি জরুরী
দ্রুত রিপ্লাই অত্যন্ত একটি জরুরী কৌশল নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দ্রুত গিগ অর্ডার পাওয়ার জন্য। দ্রুত রিপ্লাই দেওয়ার ফলে ক্লায়েন্টের সাথে আপনার যোগাযোগ খুব তাড়াতাড়ি হবে এবং দ্রুত রিপ্লে দেওয়ার ফলে ক্লাইন্ট বুঝতে পারবে আপনি একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার। দ্রুত রিপ্লাই দেওয়ার ফলে আপনার এক্টিভিটি যেমন ঠিক থাকবে তেমনিভাবে ক্লায়েন্টের প্রশ্নের উত্তর আপনি যথাসময়ে দিতে পারবেন যা কোন ক্লায়েন্ট এর চাহিদা আপনি বুঝে সে অনুযায়ী তাকে কাজ করে দিতে পারবেন।

কোথায় গিগ প্রমোশন করবেন এবং কেন
এতক্ষন আমরা কিভাবে আমাদের প্রোফাইল সাজাবো এবং কিভাবে আমাদের গিগ সাজাবো এ বিষয়গুলো দেখলাম এখন আমরা আমাদের সেই সাজানো গিগ কোন জায়গাতে গিয়ে প্রমোশন করব যার ফলে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দ্রুত গিগ অর্ডার পেতে পারবো। গিগ প্রমোশনের জন্য আমরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো বেছে নিয়ে সেখানে প্রমোশন করতে পারি।
আরো পড়ুনঃ স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম
সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, লিংকডইন, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম আরো বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যে জায়গাগুলোতে আমরা খুব সহজে আমাদের গিগ প্রমোশন করতে পারব। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে গিগ প্রমোশন আমাদের নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দ্রুতই গিগ অর্ডার পেতে সাহায্য করে থাকে।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url